শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০১৫

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০১৫

সস্তা সাইন পেন



ডিজিটালে আঁকতে আঁকতে মাঝে সাঝে হাতে জং ধরে যায়-তখন আবার খাতা কলম পেন্সিল সাইন পেনে ফিরে আসি আর ভাবি এসব ছেড়ে কোন দুঃখে ডিজিতালে আঁকতে যাই! অনেক দিন পর আবার সাইন পেনে ফেরত আসলাম এবং আঁকার মজা আবার নতুন করে খুঁজে পাচ্ছি!

বরষা

স্কুলের দিনগুলো-পকেটে মোবাইল নেই, মানিব্যাগ নেই, নেই কিচ্ছু ভিজে যাবার টেনশন-রাস্তায় জমে থাকা পানিতে পা ভিজিয়ে হাটতে হাটতে বাসায় ফেরা।

দস্তাবেজ-১১


ঢাকা কমিক্স থেকে সিকে জাকি নিয়ে কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। তাই ডুডলিং-আর সাথে তো যা ইচ্ছে তাই ড্রয়িঙ চলছেই।

Alchemy Festival 2015

আমাদের Installation

Interior

Artist Team
শুরুটা হয়েছিল নীলক্ষেতে Mehedi Haque ভাই এর ফোন থেকে। এরপর হাজার ঝক্কি ঝামেলা মিটিং মিছিল ফুলার রোড বারিধারা পেরিয়ে অবশেষে মে ১২ থেকে ১৯-৭ দিনের ঝোড়ো ট্রিপে ঘুরে আসলাম লন্ডন। সাথে ছিলেন Syed Rashad Imam Tanmoy ভাই আর ব্রিটিশ কাউন্সিলের Tareque Mehdi!

আমাদের কাজটা ছিল মূলত সাউথব্যাংকের রয়্যাল ফেস্টিভাল হলে অনুষ্ঠিত Alchemy Festival এ "পথের গল্প-Street Stories from Dhaka" exhibit এর প্রদর্শনীতে। British Council Bangladesh এবং British Council ARTs Bangladesh এর টিম হিসাবে এখানে অংশ নেই আমি আর তন্ময় ভাই। সাথে ছিলেন ব্রিটিশ আর্টিস্ট Karrie Fransman! এক্সিবিশন, ওয়ার্কশপ, প্যানেল ডিসকাশন এগুলো তো ছিলই-তার সাথে ছিল ফুল টাইম ট্যুরিস্ট হিসাবে লন্ডন চষে বেড়ান! পুরান বন্ধু, নতুন বন্ধু মিলে অনেক মানুষ জনের সাথে দেখা হল- Sadik Hossain Onjon, Soumitro Kumar, Nafisa Huq, Pijush Ghosh সবার সাথে অনেক দিন পর দেখা! সব মিলিয়ে দারুন সময় কাটালাম, শিখলাম অনেক কিছু, দেখলাম অনেক কিছু!









*লন্ডনে স্কেচবুক করে খুব মজা পেয়েছি। ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে হোটেলের কাছের পার্কটায় বসে আঁকা, সাবওয়েতে ঢুলতে ঢুলতে আঁকা, পার্কে শুয়ে বসে আঁকা, কফি শপে ধোঁয়া ওঠা কফির কাপ হাতে আঁকা (এটা অবশ্য খালি ছবি তোলার জন্য করা হয়েছিল)-স্কেচবুকের কিছু পাতাও দিয়ে রাখি ব্লগে।

শনিবার, ২ মে, ২০১৫

ছোটবেলার ইচ্ছে

ছোটবেলায় অনেকে জিজ্ঞেস করত বড় হয়ে কী হতে চাও? 

এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে জেনে এসেছি বলতে হয় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার-এমনকি পাইলট, সিনেমার নায়ক পর্যন্ত চলে। এসব উত্তর-ই দিয়ে আসতাম বরাবর এই প্রশ্নের জবাবে। মনের ভেতরে আসলে কী ইচ্ছে ছিল কখনো ভেবে দেখিনি। আজ বড়বেলায় এসে মনে হয়-ছোটবেলা তো কেটেছে বই পড়ে আর সেই চরিত্রগুলোর কথা ভেবে। একা একা বাসায় বসে বই পড়ে অনেক অনেক সময় কাটিয়েছি। ছেলেবেলার সেই দিনগুলিতে ইন্টারনেট, ফেসবুক, স্মার্ট ফোন ছাড়াই বই পড়ে পার করেছি ঘন্টার পর ঘন্টা। 

বই এর জগতে অনেক খানি জায়গা জুড়ে ছিলেন সত্যজিত। প্রফেসর শংকু এই তিব্বতে উঠে যাচ্ছেন, মরুভুমি পাড়ি দিয়ে আবিষ্কার করছেন এক দৈত্যাকার নাক, অদ্ভুত এক স্বপ্নে দেখা দ্বীপে ঘুরে বেড়াচ্ছে আজগুবি জন্তুর দল। ফেলুদাকেও ভাল লাগত কিন্তু মনে হত ওভারস্মার্ট, বাছাই বারো, আবারো বারো এরকম ছোট গল্পের সংকলন গুলো ছিল সেরা। আর ছিল সত্যজিতের ছবি বানাবার গল্প-গুপি গাইন বাঘা বাইন কিভাবে লাফ দিল আর সেটা উলটো করে চালিয়ে দিলেই হয়ে গেল উড়ে যাবার দৃশ্য। এই ওরা এখানে-তো হাত তালি দিলেই আবার ওখানে। কম্পিউটার গ্রাফিক্স ছাড়া ক্যামেরার কাজে কিভাবে দেখান হচ্ছে একই মানুষ দুই চরিত্রে কথা বলে যাচ্ছে-এসব পড়ে মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেত ইশ একদিন যদি একটা সিনেমা বানাতে পারতাম! বই পড়তে গেলে ভেতরে ছবি গুলো দেখে ভাবতাম আহ-যদি এমন ছবি আঁকতে পারতাম। মুখে পাইপ নেয়া সত্যজিতের ছবি দেখে ভাবতাম হায়রে একটা পাইপ যদি থাকত মুখে দিয়ে ছবি তুলতাম!

বড়বেলায় এসে ছোটবেলায় কি হতে চাইতাম ইচ্ছেটা পরিষ্কার। ছেলেবেলায় চেয়েছিলাম বড় হয়ে সত্যজিত রায় হতে!