Hi this is Asifur Rahman aka Arts by Rats (artsbyrats if you prefer)! I am a freelance artist from Bangladesh. I mostly draw characters, comic books and concept art. I know-sounds like a jack of all trades and master of none which in fancy terms can be called a generalist. But I just love digital art and I am always looking for new avenues to explore and incorporate into my art! Welcome to my blog!
শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭
দস্তাবেজ-১৭
বিভিন্ন সময়ে হাবি জাবি আঁকা জড়ো করে আরো একখানা দস্তাবেজ পোস্ট।
![]() |
| স্টূডিওতে বসে কালার স্টাডি করতে করতে মেম |
![]() |
| বৈশাখি ডিজাইন মোটিফ |
![]() |
| দার্জিলিং এর কাল্পনিক ল্যান্ডস্কেপ |
![]() |
| আঁকান্তিসে ডালিমকুমার ক্যারেক্টার ডিজাইনের জন্য ফেস স্টাডি |
![]() |
| ক্যামেরা-প্রাইম লেন্স কিনে বোখে আর কালার এর স্টাডি |
![]() |
| ভাইকিংস সিরিজের রোলো |
![]() |
| এক ফেসবুক ফ্রেন্ড এর ছবি নিয়ে স্টাডি |
![]() |
| আবার ভাইকিংস-মেইন প্রোটাগোনিস্ট |
![]() |
| স্টূডিও তে কালার স্টাডি |
![]() |
| বইমেলার আগে ডুডল |
![]() |
| ছুটি এর আমেজে কালার স্টাডি |
![]() |
| রেফারেন্স স্টাডি |
![]() |
| লোগান দেখে এসে ফ্যানআর্ট |
![]() |
| হোলি এর ফেস কালার স্টাডি |
মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭
রঙ প্রসেস-২০১৭
যখন ছবি আঁকা আঁকি শুরু করি-প্রথম দিকে ডিজিটাল আর্টের সব থেকে রহস্যজনক ব্যাপার মনে হত কালার। কিভাবে ছবিতে রঙ করে এটা ধরতেই অনেক দিন সময় লাগছে। কালারিং প্রসেস নিয়ে এখনো বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট চলছে চলবে তার মধ্যে কালারিং এ কিছু প্রসেস খুটিনাটি টিপস শেয়ার করতে ব্লগ।
দেবার পর যেই অবস্থা দাঁড়াল ছবিতে সেটা এমন
রেফারেন্স ফটো থেকে কালার বা লাইট হুবহু নিয়ে আকতে চেষ্টা করলে অনেক সময় ছবি অতিরিক্ত জটিল হয়ে যায়। এজন্য এভাবে ধাপে ধাপে লাইট বুঝে নিয়ে কালার করলে অনেক সহজে এবং ইলাস্ট্রেশনের সাথে মানানসই লাইট শেড করা সম্ভব। আমি নিজেও শিখতে শিখতে এগুচ্ছি। দেখা যাক এই প্রসেসটা কতটা কাজে দেয়।
আঁকান্তিসে পোস্ট করা মিশুর একটা ছবি দেখে এই টিউটোরিয়াল লেখার শুরু।
ছবিতে কালার দেখে অনেক জায়গায় অনেক কাজ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে কিন্তূ একটু খাপছাড়া ভাবে। লাইটের ডিরেকশান টা পরিষ্কার ভাবে বুঝা যাচ্ছে না এবং রিফ্লেক্টেড লাইটের কাজ ফর্ম কে ফলো করে নাই।
রোদেলা আলো বুঝাতে একটা প্রসেস এ ইদানিং কালার করছি সেটা ভাবলাম এই ছবিতে ট্রাই করে দেখি। প্রথমে ইংকে ছবিটা ড্রয়িং।
এবার ছবি এর বিভিন্ন এলিমেন্ট এ কালার দিলাম।
কিছু জায়গায় এবার হিউ ভ্যারিয়েশান আনলাম। এটার সাথে লাইট শেডের সম্পর্ক নাই। এটা ফ্ল্যাট কালারের মনোটনি টা একটু ভাংবে। যেমন নাকের বা গালের লালচে ভাব, দাড়ির কাছের ডিস্যাচুরেটেড কালার, প্যান্টে ফেড ভাব ইত্যাদি।
এবার লাইট এর ডিরেকশান আর ফর্ম গুলা কেমন একটু বুঝে নেই।
ফর্ম গুলো রাউন্ডেড এবং ঘুরে ঘুরে গেছে সাইড এ যেয়ে। লাইট ডিরেকশান অনুযায়ী কোথাও কোথাও লাইট বাড়ি খাবে-আর কোথাও কোথাও খাবেনা। এভাবেই পুরো ছবিতে লাইট শেড তৈরী হবে। যেখানে যেখানে লাইট একেবারেই যাবেনা সে জায়গাগুলায় সব থেকে ডার্ক শ্যাডো তৈরী হবে। এই জায়গা গুলা সাধারনত ওভারল্যাপিং জায়গা গুলোতে হয়। যেমন এই ছবিতে সাবজেক্টের বাম হাত এর নিচে একটা ডার্ক শ্যাডো আসবে কারন ওখানে ফর্ম এর ওভার ল্যাপ হচ্ছে। আবার বাম হাতের নিচের অংশে কিন্তু অনেক ডার্ক শ্যাডো আসবে না কারন ওখানে ডিরেক্ট উপরের লাইট না আসলেও আশ পাশ থেকে রিফ্লেক্টেড লাইট চলে আসে।
যাই হোক এরপর যেটা করি সেটা হল পুরো ছবিতে একটা হালকা নিলচে কালার দিয়ে মাল্টিপ্লাই করে দেই।
এবার যেটা করি সেটা হচ্ছে লাইট ডিরেকশান ধরে নিয়ে এই শ্যাডো লেয়ার এর কিছু কিছু অংশ মুছে দেই যেখানে যেখানে লাইট পড়ছে।
যেখানে যেখানে মুছে দিলাম এই জায়গা গুলা সিলেক্ট করে একটা নতুন লেয়ার নেই Hard Light মুডের। এবার সেই লেয়ারে হলুদ টাইপ একটা গরম রঙ এর গ্র্যাডিয়েন্ট দেই। (গ্রাডিয়েন্ট অপাসিটি একটু কম রাখলাম-২৫-৩০%। দরকার পড়লে দুই তিনবার করে টান দিলাম।)
এখন একটা বুঝা যাচ্ছে যে উপরে কোনা থেকে লাইট আসছে। এবার এই লাইট টাকে আরো রোদেলা ভাব আনতে একদম উপরে (লাইন আর্ট লেয়ারের ও উপরে) আর একটা লেয়ার নেই। এটার মুড দেই Color Dodge । এই লেয়ারে এবার সফট একটা ব্রাশ নিয়ে যেই কালারের গ্রাডিয়েন্ট দিলাম তার থেকে স্যাচুরেটেড ডার্ক একটা কালার দিয়ে ব্রাশ করি। যেমন এই ছবিতে আমি গ্রাডিয়েন্ট কালার আর কালার ডজ লেয়ারের কালার দেখাই।
| গ্রাডিয়েন্ট কালার |
| কালার ডজ লেয়ারের ব্রাশের কালার |
দেবার পর যেই অবস্থা দাঁড়াল ছবিতে সেটা এমন
একটা গ্লো এর মত চক চকে ব্যাপার আসে এই কাজটা করলে। এরপরে কাস্ট শ্যাডো ( যেটা কিনা আগেই বললাম যেখানে যেখানে ফর্ম এর ওভারল্যাপ আছে সেখানে সেখানে সব থেকে ডার্ক শ্যাডো), রিফ্লেক্টেড লাইট ( এনভায়রনমেন্টে একটা কমন রিফ্লেক্টেড লাইট থাকে যেটা একদম টপ লাইট হিসাবে কাজ করে। সেটা হচ্ছে আকাশে রিফ্লেক্টেড নিলচে একটা আলো। তা ছাড়া যে এনভায়রনমেন্ট ভাবছি সেটার আশ পাশের জিনিস থেকে রিফ্লেক্টেড আলো সাবজেক্টের উপরে আসবে) ইত্যাদি ইত্যাদি যোগ করা যেতে পারে লাইট এন্ড শেডে।
রেফারেন্স ফটো থেকে কালার বা লাইট হুবহু নিয়ে আকতে চেষ্টা করলে অনেক সময় ছবি অতিরিক্ত জটিল হয়ে যায়। এজন্য এভাবে ধাপে ধাপে লাইট বুঝে নিয়ে কালার করলে অনেক সহজে এবং ইলাস্ট্রেশনের সাথে মানানসই লাইট শেড করা সম্ভব। আমি নিজেও শিখতে শিখতে এগুচ্ছি। দেখা যাক এই প্রসেসটা কতটা কাজে দেয়।
সোমবার, ২০ মার্চ, ২০১৭
মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০১৭
ফিরে দেখা!
কয়েকদিন আগে বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এর থেকে এক জুনিয়র নক দিল- ফ্রি আছি কীনা জানার জন্য। কী কারন জানতে চাইল জানাল হৃদয়দের ক্লাব ফেয়ারের সময় একটা পোস্টার ডিজাইন করে দিয়েছিলাম ড্রয়িং দিয়ে-সে রকম একটা করে দিতে পারব কীনা সময় থাকলে।
বুয়েট ছেড়েছি প্রায় ৪ বছর হতে চলল। বুয়েটের দিকে আসা যাওয়ার মাঝে কালে ভদ্রে দু একটা চেনা চেহারা যা চোখে পড়ে তার প্রায় সবাই ই ফটোগ্রাফিক সোসাইটির। নিজের ডিপার্টমেন্টের বেশির ভাগই আজ বুয়েটের বাইরে, স্যারদের কাছেও কোনকালে চেনা মুখ ছিলাম না- তাই বুয়েটে চেনা মুখ আর তেমন কেউ নেই এখন। ক্যামেরা কিনে এককালে ফটোগ্রাফির শখ হয়েছিল তাই বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটিতে কিছুদিন ঘুরা ঘুরি করেছিলাম। সোসাইটি এর কাজে কামে কোন কালে খুব একটা আসিনি। তবে কিছু সিনিয়র জুনিয়র ব্যাচমেট ভাই আপুদের সাথে পরিচয় হয়েছিল এই ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এর ফটোওয়াক, এক্সিবিশন এসবের মধ্য দিয়েই। ক্যামেরার অকালমৃত্যুর মধ্যে দিয়ে আমার ফটোগ্রাফি জীবনের সমাপ্তি হয়।
কার্টুন ড্রয়িং এর শুরুর দিকে ২০১৩ এর ক্লাব ফেয়ারের সময় একটা ইলাস্ট্রেশন দিয়ে মেম্বার কল এর পোস্টার ডিজাইন করি বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এর জন্য। ফেসবুকের এক নক থেকে তাই এক ধাক্কায় অনেকখানি পিছনে ঘুরে আসলাম। কম্পিউটারে ফোল্ডার ঘেটে সেই পোস্টার টাও খুজে দেখলাম। ভাবলাম একে দেখি ৪ বছর পরে কি দাঁড়ায় এখন। সেই ফিরে দেখা নিয়ে এই পোস্ট।
বুয়েট ছেড়েছি প্রায় ৪ বছর হতে চলল। বুয়েটের দিকে আসা যাওয়ার মাঝে কালে ভদ্রে দু একটা চেনা চেহারা যা চোখে পড়ে তার প্রায় সবাই ই ফটোগ্রাফিক সোসাইটির। নিজের ডিপার্টমেন্টের বেশির ভাগই আজ বুয়েটের বাইরে, স্যারদের কাছেও কোনকালে চেনা মুখ ছিলাম না- তাই বুয়েটে চেনা মুখ আর তেমন কেউ নেই এখন। ক্যামেরা কিনে এককালে ফটোগ্রাফির শখ হয়েছিল তাই বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটিতে কিছুদিন ঘুরা ঘুরি করেছিলাম। সোসাইটি এর কাজে কামে কোন কালে খুব একটা আসিনি। তবে কিছু সিনিয়র জুনিয়র ব্যাচমেট ভাই আপুদের সাথে পরিচয় হয়েছিল এই ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এর ফটোওয়াক, এক্সিবিশন এসবের মধ্য দিয়েই। ক্যামেরার অকালমৃত্যুর মধ্যে দিয়ে আমার ফটোগ্রাফি জীবনের সমাপ্তি হয়।
কার্টুন ড্রয়িং এর শুরুর দিকে ২০১৩ এর ক্লাব ফেয়ারের সময় একটা ইলাস্ট্রেশন দিয়ে মেম্বার কল এর পোস্টার ডিজাইন করি বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এর জন্য। ফেসবুকের এক নক থেকে তাই এক ধাক্কায় অনেকখানি পিছনে ঘুরে আসলাম। কম্পিউটারে ফোল্ডার ঘেটে সেই পোস্টার টাও খুজে দেখলাম। ভাবলাম একে দেখি ৪ বছর পরে কি দাঁড়ায় এখন। সেই ফিরে দেখা নিয়ে এই পোস্ট।
![]() |
| ২০১৩ তে করা পোস্টার |
![]() |
| ২০১৭ তে করা পোস্টার |
![]() |
| ফিরে দেখতে ২০১২ তে আকা একটা ড্রয়িং নিয়ে আবার আঁকা |
বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
টিউটো পোস্ট-পার্স্পেকটিভ
আকান্তিস গ্রুপে দেয়া সিধুর একটা পোস্ট দেখে ফিগারে পার্সপেকটিভ নিয়ে একটা লেখার আইডিয়া মাথায় আসল। টিউটোরিয়াল লিখতে আসলে ভয় লাগে কারন দেখা যায় নিজেই নিত্য নানান জিনিস পত্র শিখছি, পুরনো শেখাটা ভাংছি, আবার নিজের আঁকা নিজেই বদলে ফেলছি। ফলে কাউকে কিছু শেখাতে গেলে নিজের দুর্বলতা গুলার কথা বেশি মাথায় আসে-কি বলব বুঝে উঠতে পারি না। তবে এই পোস্টের ছবিটায় কিছু কমন মিসটেক দেখলাম (যেগুলো আমি ও করি) যা একটু এড়তে পারলে ড্রয়িং এ কুইক ইম্প্রুভ করা সম্ভব। সেটার জন্যই লেখা।
ছবিটায় একটা ফিগার দাড়ান। ক্যামেরাটা হালকা উপর থেকে ধরা। এরকম অ্যাংগেলে আমরা একটা ফ্রিজের কার্টুন চিন্তা করি।
একদম পার্স্পেক্টিভে না মিললেও চোখের আন্দাজে দেয়া দাগ। এই দাগ গুলি একটা আরেকটার সমান্তরাল। সামনা সামনি দেখলে এদের হুবহু সমান্তরাল দেখাবে কিন্তু পার্স্পেকটিভে গেলেই দেখা যাবে ডিসটরশন চলে আসছে।
ছবিটায় একটা ফিগার দাড়ান। ক্যামেরাটা হালকা উপর থেকে ধরা। এরকম অ্যাংগেলে আমরা একটা ফ্রিজের কার্টুন চিন্তা করি।
এই ছবির মত দেখাবে কিছুটা।
এখানে দাগ দিয়ে যেই দুটো ডিসট্যান্স দেখান হচ্ছে তারা কিন্তু সমান। এখানে দেখতে সমান না মনে হলেও আমরা বুঝতে পারি এই দুই লাইন সমান দুরত্ব বুঝাবে। তার কারন একটা প্লেন আর একটার থেকে দূরে অবস্থিত এবং আমাদের চোখে এই পার্স্পেক্টিভ এর জন্য যে ডিসটর্শন হয় সেটা ধরা পড়ে একটাকে আর একটার থেকে ছোট দেখাচ্ছে।
এবার এই ফ্রিজ কার্টুনের গায়ে কিছু প্যারালেল দাগ টানি।
একদম পার্স্পেক্টিভে না মিললেও চোখের আন্দাজে দেয়া দাগ। এই দাগ গুলি একটা আরেকটার সমান্তরাল। সামনা সামনি দেখলে এদের হুবহু সমান্তরাল দেখাবে কিন্তু পার্স্পেকটিভে গেলেই দেখা যাবে ডিসটরশন চলে আসছে।
৩ পয়েন্ট পার্স্পেকটিভ এ বাক্সটা দেখাবে এমন। পার্সপেকটিভ গ্রিডের কারনেই এই ডিসটরশন গুলো তৈরী হচ্ছে।
এই পর্যন্ত যদি বুঝা যায় তাহলে পরের অংশটা সহজে ধরতে পারা যাবে। এই ফ্রিজ কার্টুনের ভেতর এবার যদি মনে করি একটা লোক আছে এবং সে যদি দুই পাশ থেকে তার হাত গুলো বের করে তাহলে জিনিসটা কেমন দাঁড়াবে?
পার্সপেক্টিভ গ্রিড ফলো করে আঁকালে দুই হাত কিন্তু আমরা আগে বক্সটার গায়ে যে দাগগুলি আকলাম সেই গুলির একটা লাইনকে ফলো করবে।
এরপর পা বের করে দেখি লোকটার।
পা বের হয়ে গ্রাউন্ড কে টাচ করবে আমরা গ্রিডে যেই সারফেস একে রাখলাম সেই সারফেস বরাবর। পা এর ডিরেকশান টা খুব গুরুত্বপূর্ন কারন এটাই নিচের পার্স্পেকটিভে থাকা গ্রিড টার সাজেশন বুঝতে সাহায্য করবে।
এইসব বুঝার পর এবার আমরা আমাদের প্রথম ছবিটায় আবার ফিরে যাই।
যদি আগের প্রিন্সিপাল ফলো করে আমরা ছবিটার দিকে তাকাই তাহলে দেখব হাতের পজিশন টা কোথায় হওয়া উচিত রিয়ালিস্টিকালি। একই সাথে গ্রাউন্ডের পার্স্পেকটিভটাও বুঝা যেতে হবে পায়ের ডিরেকশান দিয়ে।
প্রথম দিকে আমার ধারনা ছিল পার্সপেকটিভ দরকার হয় শুধু ল্যান্ডস্কেপ অথবা এনভায়রনমেন্ট আকতে। পরে একটা গ্রিডের মধ্যে ফিগার ড্রয়িং দেখে মাথায় আসে যে আসলে ফিগার ও তো সব সময় পার্সপেকটিভের মধ্যেই আমরা দেখি এবং ফিগারের স্কেল ল্যান্ডস্কেপের মত বিশাল না হলেও ছোট স্কেলে ফিগারে কিছু পার্সপেকটিভ চেঞ্জ দেখা যায় যেটা না আনলে ছবিতে থ্রিডি ব্যাপার টা পুরোপুরি আসে না। এজন্য সব সময় একুরেট গ্রিড টেনে না হলেও চোখের আন্দাজে কিছু পার্সপেকটিভ দিতে চেষ্টা করি ড্রয়িং এ।
ফিগারে কিভাবে পার্সপেক্টিভ বুঝা যায় এই ছবিটার উদাহরন দিয়ে কিছুটা বুঝতে চেষ্টা করি। আমরা সহজ করার জন্য ফিগারের উপর ইমাজিনারি কিছু লাইন নিতে পারি পার্সপেক্টিভে ছবিটাকে বসাতে। এগুলোকে ল্যান্ডমার্ক বলে।
১। দুই কাঁধের জয়েন্ট লাইন
২। দুই কনুই এর জয়েন্ট
৩। দুই হাতের ডিরেকশান
৪। কোমরের পেলভিস এর উপরে যে শক্ত হাড় থাকে সেটার জয়েন্ট লাইন
৫। দুই হাটু এর জয়েন্ট লাইন
৬। দুই গোড়ালির উপরের হাড়ের জয়েন্ট লাইন
৭। পা এর ডিরেকশান
তবে এগুলি ছাড়া যে ফিগারে আর ল্যান্ডমার্ক নেই সেটা কিন্তু না-আকতে গেলে ফিগারের উপর যেকোন লাইন ছবিতে পার্সপেক্টিভ বুঝাতে সাহায্য করবে। যেমন এখানে ওয়ান্ডার ওম্যানের হাতের যে আর্ম ব্যান্ড-দুই হাতে সেটা জয়েন্ট করলে একটা ডিরেকশান লাইন হতে পারে। কোমরের যে বেল্টটা-সেটা একটা সহজে পার্সপেকটিভ এবং ফিগারের ডিরেকশান বুঝাবার লাইন হতে পারে।জামার প্যাটার্ন, টেক্সচার ইত্যাদির অসংখ্য ইনভিজিবল জয়েন্ট গুলা আসলে আমাদের ব্রেনকে ইলুশন তৈরী করে যে এটা একটা থ্রিডি জিনিস।
এবার এই ছবিটায় খেয়াল করি-মাঝের ছবিতে আমি লাল দাগ দিয়ে জয়েন্ট গুলি দেখিয়েছি। আর একদম ডানের ছবিতে প্রথম ছবিটায় জয়েন্ট গুলি কিভাবে আছে সেটা দেখালাম। মুল ছবিটায় থ্রিডি ইলুশন না আসছিল না মূলতঃ হাত দুটো একদম এক লাইনে থাকার জন্য। এটা হতে পারে যদি ওয়ান্ডার ওম্যানের ডান হাত যদি বাম হাতের থেকে লম্বা হত তাহল। পার্স্পেকটিভ গ্রিড টা হালকা আইডিয়া করে নিলে এই জয়েন্ট গুলি কে পার্স্পেকটিভে ফেলতে সুবিধা হয় অনেক।
আর একটা বিষয় যেটা আমার মনে হয় যে এই গ্রামার মেনে আঁকা বা গ্রিড চিন্তা করে আকার সাথে রিয়ালিজম, স্টাইলাইজড ড্রয়িং ইত্যাদির কোন কনফ্লিক্ট নেই। আঁকার স্টাইল যেমন ই হোক ত্রিডি ভাবটা আনতে চাইলে এভাবে চিন্তা করা ভাল। তবে সব ফিগার আকার সময়ই একেবারে স্কেল নিয়ে বসে পার্সপেকটিভ গ্রিডে আকতে বসে যাবার দরকার নেই-গ্রিডটা হালকা করে চোখের আন্দাজে যেটা ভাল লাগে সেভাবে আকলেই হবে। খুব একুরেট করতে গেলে আবার ড্রয়িং এর মজাটাই চলে যায়।
অনেক কিছু লিখে ফেললাম যার অনেক কিছুই হয়ত পরিষ্কার করে বুঝাতে পারি নাই। শেষে এই ড্রয়িং টার উপর একটা রি ড্র! আর সিধুকে ধন্যবাদ ওর ছবিটা টিউটোতে ব্যবহার করতে পারমিশান দেবার জন্য!
এই পর্যন্ত যদি বুঝা যায় তাহলে পরের অংশটা সহজে ধরতে পারা যাবে। এই ফ্রিজ কার্টুনের ভেতর এবার যদি মনে করি একটা লোক আছে এবং সে যদি দুই পাশ থেকে তার হাত গুলো বের করে তাহলে জিনিসটা কেমন দাঁড়াবে?
পার্সপেক্টিভ গ্রিড ফলো করে আঁকালে দুই হাত কিন্তু আমরা আগে বক্সটার গায়ে যে দাগগুলি আকলাম সেই গুলির একটা লাইনকে ফলো করবে।
এরপর পা বের করে দেখি লোকটার।
পা বের হয়ে গ্রাউন্ড কে টাচ করবে আমরা গ্রিডে যেই সারফেস একে রাখলাম সেই সারফেস বরাবর। পা এর ডিরেকশান টা খুব গুরুত্বপূর্ন কারন এটাই নিচের পার্স্পেকটিভে থাকা গ্রিড টার সাজেশন বুঝতে সাহায্য করবে।
এইসব বুঝার পর এবার আমরা আমাদের প্রথম ছবিটায় আবার ফিরে যাই।
যদি আগের প্রিন্সিপাল ফলো করে আমরা ছবিটার দিকে তাকাই তাহলে দেখব হাতের পজিশন টা কোথায় হওয়া উচিত রিয়ালিস্টিকালি। একই সাথে গ্রাউন্ডের পার্স্পেকটিভটাও বুঝা যেতে হবে পায়ের ডিরেকশান দিয়ে।
প্রথম দিকে আমার ধারনা ছিল পার্সপেকটিভ দরকার হয় শুধু ল্যান্ডস্কেপ অথবা এনভায়রনমেন্ট আকতে। পরে একটা গ্রিডের মধ্যে ফিগার ড্রয়িং দেখে মাথায় আসে যে আসলে ফিগার ও তো সব সময় পার্সপেকটিভের মধ্যেই আমরা দেখি এবং ফিগারের স্কেল ল্যান্ডস্কেপের মত বিশাল না হলেও ছোট স্কেলে ফিগারে কিছু পার্সপেকটিভ চেঞ্জ দেখা যায় যেটা না আনলে ছবিতে থ্রিডি ব্যাপার টা পুরোপুরি আসে না। এজন্য সব সময় একুরেট গ্রিড টেনে না হলেও চোখের আন্দাজে কিছু পার্সপেকটিভ দিতে চেষ্টা করি ড্রয়িং এ।
ফিগারে কিভাবে পার্সপেক্টিভ বুঝা যায় এই ছবিটার উদাহরন দিয়ে কিছুটা বুঝতে চেষ্টা করি। আমরা সহজ করার জন্য ফিগারের উপর ইমাজিনারি কিছু লাইন নিতে পারি পার্সপেক্টিভে ছবিটাকে বসাতে। এগুলোকে ল্যান্ডমার্ক বলে।
১। দুই কাঁধের জয়েন্ট লাইন
২। দুই কনুই এর জয়েন্ট
৩। দুই হাতের ডিরেকশান
৪। কোমরের পেলভিস এর উপরে যে শক্ত হাড় থাকে সেটার জয়েন্ট লাইন
৫। দুই হাটু এর জয়েন্ট লাইন
৬। দুই গোড়ালির উপরের হাড়ের জয়েন্ট লাইন
৭। পা এর ডিরেকশান
তবে এগুলি ছাড়া যে ফিগারে আর ল্যান্ডমার্ক নেই সেটা কিন্তু না-আকতে গেলে ফিগারের উপর যেকোন লাইন ছবিতে পার্সপেক্টিভ বুঝাতে সাহায্য করবে। যেমন এখানে ওয়ান্ডার ওম্যানের হাতের যে আর্ম ব্যান্ড-দুই হাতে সেটা জয়েন্ট করলে একটা ডিরেকশান লাইন হতে পারে। কোমরের যে বেল্টটা-সেটা একটা সহজে পার্সপেকটিভ এবং ফিগারের ডিরেকশান বুঝাবার লাইন হতে পারে।জামার প্যাটার্ন, টেক্সচার ইত্যাদির অসংখ্য ইনভিজিবল জয়েন্ট গুলা আসলে আমাদের ব্রেনকে ইলুশন তৈরী করে যে এটা একটা থ্রিডি জিনিস।
এবার এই ছবিটায় খেয়াল করি-মাঝের ছবিতে আমি লাল দাগ দিয়ে জয়েন্ট গুলি দেখিয়েছি। আর একদম ডানের ছবিতে প্রথম ছবিটায় জয়েন্ট গুলি কিভাবে আছে সেটা দেখালাম। মুল ছবিটায় থ্রিডি ইলুশন না আসছিল না মূলতঃ হাত দুটো একদম এক লাইনে থাকার জন্য। এটা হতে পারে যদি ওয়ান্ডার ওম্যানের ডান হাত যদি বাম হাতের থেকে লম্বা হত তাহল। পার্স্পেকটিভ গ্রিড টা হালকা আইডিয়া করে নিলে এই জয়েন্ট গুলি কে পার্স্পেকটিভে ফেলতে সুবিধা হয় অনেক।
আর একটা বিষয় যেটা আমার মনে হয় যে এই গ্রামার মেনে আঁকা বা গ্রিড চিন্তা করে আকার সাথে রিয়ালিজম, স্টাইলাইজড ড্রয়িং ইত্যাদির কোন কনফ্লিক্ট নেই। আঁকার স্টাইল যেমন ই হোক ত্রিডি ভাবটা আনতে চাইলে এভাবে চিন্তা করা ভাল। তবে সব ফিগার আকার সময়ই একেবারে স্কেল নিয়ে বসে পার্সপেকটিভ গ্রিডে আকতে বসে যাবার দরকার নেই-গ্রিডটা হালকা করে চোখের আন্দাজে যেটা ভাল লাগে সেভাবে আকলেই হবে। খুব একুরেট করতে গেলে আবার ড্রয়িং এর মজাটাই চলে যায়।
অনেক কিছু লিখে ফেললাম যার অনেক কিছুই হয়ত পরিষ্কার করে বুঝাতে পারি নাই। শেষে এই ড্রয়িং টার উপর একটা রি ড্র! আর সিধুকে ধন্যবাদ ওর ছবিটা টিউটোতে ব্যবহার করতে পারমিশান দেবার জন্য!
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)













































