বুধবার, ৯ জুলাই, ২০১৪

ফিগার ড্রয়িং: ০৪

পরীক্ষার ছুটিতে ফিগার ড্রয়িং, জেশচার, এনাটমি ইত্যাদি নিয়ে নতুন করে স্টাডি শুরু করলাম। ইউটিউবে Proko এর চ্যানেলের অসাধারন কিছু ভিডিও, Sycra এর টিউটো, কাজের কিছু ক্রিটিক পোস্ট আর সাথে ব্রিজম্যানের বই। দুর্দান্ত গতিতে এনাটমি, মাসল ইত্যাদি স্টাডি চালিয়ে বুঝলাম আসলে গোড়ায় গলদ। ফর্ম আর জেশচারেই মার খেয়ে যায় ড্রয়িং। অতঃপর মেহেদি ভাই এর শরনাপন্ন হলাম। উন্মাদ অফিসে বসে ইফতার খেতে খেতে মাসলে যাবার আগে যে সিম্পল ফর্মে জিনিসটা বুঝে নেয়া দরকার এই বিষয়টা আবার উপলব্ধি করলাম। ভাইয়া সাজেস্ট করলেন বিল পারসিং এর ব্লগে একটা ঢু মারতে-দেখে তো অবাক আমি! এত সিম্পলে এত সহজে? তাই নতুন ভাবে পেন্সিল ড্রয়িং এ ফর্ম এবং লাইনে বুঝার চেষ্টা করছি ফিগার ড্রয়িং।


বৃষ্টির দিন

নিউ মার্কেটের সামনে বৃষ্টিতে এক গার্ড কে দেখে আঁকা; ছবি রেফারেন্স নিয়ে।

স্টাডিঃ পোর্ট্রেট

হেড শেপ, ফিচার, ফর্ম ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে বেশ কিছুদিন ঘাটা ঘাটি করলাম। কিছু পোর্ট্রেট স্টাডি, সেল শেডিং টেকনিক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট। ফর্মে এখনো সমস্যা আছে আর কালারে তো দিশেহারা অবস্থা। তাই স্টাডি অন গোয়িং!

ল্যাসো টুল গ্রাডিয়েন্ট আর হিউ স্যাচুরেশান-এক্সপেরিমেন্ট

প্রসেস

ফেভারিট-ল্যানিস্টার!

এক্সপ্রেশান স্টাডি-সেল শেডিং প্র্যাক্টিস

ক্যারিকেচারঃ ০৫

ক্যারিকেচার অনেক দিন ধরেই পছন্দের একটা কাজ। নানা সময় বন্ধু বান্ধব ইত্যাদি ইত্যাদি অনুরোধে বেশ কিছু কাপল ক্যারিকেচার করা হয়েছিল। কাপল ক্যারিকেচার নিয়ে এবারের পোস্ট!





জিতু-স্ট্রিপ

প্রথম আলো এর শুক্রবারের সাপ্তাহিক গোল্লাছুটে জিতু নিয়ে করা স্ট্রিপ। স্ট্রিপ করতে যেয়ে বুঝলাম কমিকের থেকে স্ট্রিপের কাজ একটু আলাদা। ছোট জায়গাতে কাহিনী বলা একটা চ্যালেঞ্জ-গল্প ভাবতে গেলেই বার বার অনেক কিছু মাথায় এসে পড়ে। কেলভিন এন্ড হবস (যেটা কিনা আমার মতে সর্বকালের সেরা স্ট্রিপ!) পড়ে যাচ্ছি-কত সিম্পলে ম্যাজিক করে গেছেন বিল ওয়াটারসন একের পর এক!



বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০১৪

কমিক পেজ-Work Flow!

কমিক পেজের কাজের ধারাক্রম বানাবার প্রচেষ্টা-পুরো কাজটা করা হয়েছে ম্যাঙ্গা স্টুডিও তে। আসন্ন ঢাকা কমিক্স ডাইজেস্টের জন্য একটা ভুতের গল্প নিয়ে কাজ করছি আমি আর মেহেদি ভাই! করতে করতে শিখছি-শিখতে শিখতে করছি-কমিক চলছেই এভাবে! শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা পেজ কিভাবে সহজে করা যায় সে বিষয়েই আজকের ব্লগর ব্লগর!

০১। প্রথম কাজ থাম্বনেইল। এটা নিজের রাফ আইডিয়া এর জন্য। আপনার থাম্বনেইল দেখে অন্য কারো কিছু বোঝার কথা না (মানে আমার টা আমি নিজেই খালি বুঝি আর কি!)। থাম্বনেইলে কোথায় প্যানেল কাট, কম্পোজিশন ইত্যাদি ইত্যাদি ঠিক ঠাক করে নেয়া দরকার।

০২। এর পর থাম্বনেইল টাকে আর একটু সাজানো। খেয়াল করেন এই পর্যায়ে প্যানেল কাট ফিক্স করা হল এবং ডায়লগ বাবল সহ কম্পোজিশন গুলা করা হচ্ছে। ডায়লগ বাবল এর ব্যাপার টা ঠিক করে না নিলে পরে ম্যানেজ করা মুশকিল।

০৩। পরের ধাপে পেন্সিলিং। পেন্সিলিং টা সব থেকে গুরুত্বপূর্ন কারন এই পর্যায়ে আপনি যত সময় দিবেন ইংকিং টা তত দ্রুত হবে। আগে অনেক সময় ০২ ধাপের পর ইংকে চলে যেতাম কিন্তু পেন্সিল ভালভাবে শেষ করে না নিলে ইংকিং এ প্রচুর অযথা সময় নষ্ট হয়।


০৪। এবার কাজটা সহজ কাজ-ইংকিং। ইংকিং এর সময় আমি আউটলাইন মোটা ব্রাশে এবং ভিতরে ডিটেল চিকন ব্রাশে করি।





০৫। শেষ ধাপে ইফেক্টস, টোন, ব্রাশ টেক্সচার এগুলা। প্যানেল বর্ডার একটা মুছে দেয়া হয়েছে।



কালার পেজ না হলে কাজ এখানে মুটা মুটি শেষ। তবে এর পরে সাউন্ড ইফেক্ট, ডায়লগ বাবল বসান ইত্যাদি কাজ বাকি থেকে যায়।


যাই হোক-কমিকটা করে বেশ মজা পাচ্ছি-আশা করি ডাইজেস্টে সবার ভাল লাগবে! :D