সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

কার্টুন ফেস্ট ২০১৪


দৃক গ্যালারিতে ১৫-১৬-১৭ এপ্রিল মহা ধুম ধাড়াক্কার মধ্য দিয়ে শেষ হল কার্টুন ফেস্ট ২০১৪। এবার ফেস্টে খুব বেশি সময় দিয়ে পারিনি বিভিন্ন ঝামেলা মিলিয়ে, তার পরেও দারুন উপভোগ করলাম ফেস্ট। আর সেই সাথে ক্যারিকেচার তো ছিলই! সেই লোক জনের লাইন করে দাড়ান, একের পর এক ক্যারিকেচার একে যাওয়া, ক্যারিকেচার দেখে এক এক জনের অভিব্যক্তি-অসাধারন কিছু মুহুর্ত! ক্যারিকেচার আর কার্টুনের কিছু ছবি ব্লগে দিয়ে রাখলাম।

*ফেস্টে বোনাস প্রাপ্তি মেহেদি ভাই এর একটি কার্টুন!









বৈশাখ-১৪২১

পহেলা বৈশাখের আগে আমাদের আকান্তিসে এবার ক্যারেক্টার কনটেস্ট শুরু হল। লক্ষীপ্যাচা ছিল সাবজেক্ট। নতুন শেখা ল্যাসো টুলে আকালাম ক্যারেক্টার। একই সাথে বৈশাখি আর একটা ছবি ল্যাসো টুলেই আকানো। নতুন করে সহজ ফর্মে ভাবা শিখছি!



গোল্লাছুট

প্রথম আলো এর শুক্রবারের সাপ্তাহিক গোল্লাছুটে স্ট্রিপ কমিক করছি জিতু ক্যারেক্টার নিয়ে। :)

 




ফুল-ফল-পশু-পাখি-০১

ক্যারেক্টার ডিজাইন বেশ মজার একটা জিনিস। বাইরের কমিক বই থেকে এনিমেটেড সিরিজ সব কিছুতেই হাজার রকমের ক্যারেক্টার ডিজাইন দেখি। কিন্তু নিজে কিভাবে শুরু করব কুল পাই না। মেহেদি ভাই এর কাছ থেকে কিছু বই পত্রের নাম নিলাম। নীলক্ষেত, নিউমার্কেট ঘুরে কিনলাম IUCN এর টাঙ্গুয়া হাওড়ের উদ্ভিদ বৈচিত্র আর অন্যপ্রকাশ এর বাংলাদেশের বন্যপ্রানী ও পরিবেশ এর উপর দুটো বই।

দেশের পশুপাখি, গাছপালা, ফুল বৈচিত্র ইত্যাদি এর ছবি আমাদের জন্য দেখাটা একেবারেই অত্যাবশ্যক বলা যায়! এর কারনটা হল বাইরের ক্যারেক্টার, এনভায়রন্মেন্ট ইত্যাদি দেখে দেখে কপি করাটা মজার হতে পারে কিন্তু তাতে ইউনিক ডিজাইন পাওয়া সম্ভব না। এর বদলে আমরা যদি নিজেদের বেনেবউ পাখি, মায়া হরিন, ঘড়িয়াল এগুলো দেখে ইন্সপিরেশান খুজি তাহলে অনেক অনেক মাথা খারাপ করা ডিজাইন, কালার কম্পোজিশান পাওয়া সম্ভব (বিশ্বাস করবেন না কলমী শাক এই কি মাথা নষ্ট কালার আর ক্যারেক্টার আছে!)

নিজেদের কালার স্কিম নিয়ে ছবি রেফারেন্স দেখে কিছু স্টাডি ব্লগে পোস্টিয়ে রাখলাম!





রবিবার, ৯ মার্চ, ২০১৪

ভয়ংকর রোমহর্ষক ঘটনা

বইমেলা ২০১৪ তে প্রথমা থেকে ননী ভৌমিকের অনুদিত রাশিয়ান কিশর ডিটেক্টিভ কাহিনী ভয়ংকর রোমহর্ষক ঘটনা এর কিছু ছবি। এই কাজটা করে বেশ মজা পেয়েছিলাম-ম্যাংগা স্টুডিও আর ওয়াকম-যুগ যুগ জিও তোমরা!
কভার পেজ


চ্যাপ্টার ইলাস্ট্রেশান

চ্যাপ্টার ইলাস্ট্রেশান


৭১ এর দিন গুলি

প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসটা আমার জন্য বছরের সবথেকে মজাদার সময়। কারন অবশ্যই বই মেলা! গতবছর ২৮ দিনের ২৮ দিন ই বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত মেলায়- এ বছর সেই আনন্দটা চাকরি ক্লাস ইত্যাদি ইত্যাদি তে অনেক খানি ই ফিকে হয়ে এসেছিল। তার সাথে ছিল নানা রকম কাজের চাপ! একটা গোটা কমিকের ইংকিং এবং একটা বই এর ইলাস্ট্রেশানের কাজ শেষ করে যখন ভাবলাম যাক সব গুছিয়ে আনা গেছে তখন ই সিমু ভাইয়ের ফোন! ৭১ এর দিনগুলি বই এর কমিক এডাপটেশনের প্ল্যান করা হচ্ছে, মার্চ কিশোর আলো তে রুমী এর কাহিনী নিয়ে কমিক করা যায় কিনা! পরিকল্পনা শুনে উত্তেজনার বশে রাজি ও হয়ে গেলাম! মাসের তখন ১২ তারিখ-সেদিন বসলাম থাম্বনেইল পেজ প্ল্যানিং করতে। সিমু ভাইয়ের কাছ থেকে ৭১ এর দিনগুলি বইটা ও নিয়ে আসলাম। এক বসায় মুটা মুটি স্পিড রিডিং দিয়ে দিন তারিখ আর সংলাপ গুলো গুছিয়ে ফেললাম। এরপর ডিজাইন-করতে বসে তো মাথায় হাত! ১৮ পেজে চলে যাচ্ছে কমিক-জমা ২৬ তারিখের ভেতর! কেমনে কি করব হিসাব মেলাতেই কেটে গেল আরো দুই দিন! মেলা, অফিস, কমিক-সব কিছু মিলায় একটা ভজঘট অবস্থা। এর মধ্যেই কেমনে কেমনে পেন্সিল শেষ করে আনলাম। প্ল্যান ছিল এবার ইংকে প্রায় কাজটা করে রাখব। মেহেদি ভাই এর দেখান ব্রাশিং টেকনিক কাজে লাগিয়ে ঝড়ের বেগে নামালাম গোটা ইংকিং। বাকি থাকে লেটারিং আর কালারিং। সেটাও কোন মতে নামিয়ে মেইল করলাম সিমু ভাইকে।

 পুরাই ভয়ে ভয়ে ছিলাম-কাজটা কেমন হয় না হয় তা নিয়ে। অবশেষে অনেক জল্পনা কল্পনার পর ৯ তারিখ বাজারে এল কিশোর আলো। ক্লাস ছুটি হতেই ঢাকা ভার্সিটি শ্যাডোতে ঢুকে হাতে নিয়ে দেখলাম কমিকটা। তারপরটা পাঠক বলবে। আমি কিছু ছবি আপিয়ে রাখি ব্লগে!


রিজেক্টেড কাভার। :P

ইংকিং এ এক পেজ!