বুধবার, ৯ জুলাই, ২০১৪

জিতু-স্ট্রিপ

প্রথম আলো এর শুক্রবারের সাপ্তাহিক গোল্লাছুটে জিতু নিয়ে করা স্ট্রিপ। স্ট্রিপ করতে যেয়ে বুঝলাম কমিকের থেকে স্ট্রিপের কাজ একটু আলাদা। ছোট জায়গাতে কাহিনী বলা একটা চ্যালেঞ্জ-গল্প ভাবতে গেলেই বার বার অনেক কিছু মাথায় এসে পড়ে। কেলভিন এন্ড হবস (যেটা কিনা আমার মতে সর্বকালের সেরা স্ট্রিপ!) পড়ে যাচ্ছি-কত সিম্পলে ম্যাজিক করে গেছেন বিল ওয়াটারসন একের পর এক!



বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০১৪

কমিক পেজ-Work Flow!

কমিক পেজের কাজের ধারাক্রম বানাবার প্রচেষ্টা-পুরো কাজটা করা হয়েছে ম্যাঙ্গা স্টুডিও তে। আসন্ন ঢাকা কমিক্স ডাইজেস্টের জন্য একটা ভুতের গল্প নিয়ে কাজ করছি আমি আর মেহেদি ভাই! করতে করতে শিখছি-শিখতে শিখতে করছি-কমিক চলছেই এভাবে! শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা পেজ কিভাবে সহজে করা যায় সে বিষয়েই আজকের ব্লগর ব্লগর!

০১। প্রথম কাজ থাম্বনেইল। এটা নিজের রাফ আইডিয়া এর জন্য। আপনার থাম্বনেইল দেখে অন্য কারো কিছু বোঝার কথা না (মানে আমার টা আমি নিজেই খালি বুঝি আর কি!)। থাম্বনেইলে কোথায় প্যানেল কাট, কম্পোজিশন ইত্যাদি ইত্যাদি ঠিক ঠাক করে নেয়া দরকার।

০২। এর পর থাম্বনেইল টাকে আর একটু সাজানো। খেয়াল করেন এই পর্যায়ে প্যানেল কাট ফিক্স করা হল এবং ডায়লগ বাবল সহ কম্পোজিশন গুলা করা হচ্ছে। ডায়লগ বাবল এর ব্যাপার টা ঠিক করে না নিলে পরে ম্যানেজ করা মুশকিল।

০৩। পরের ধাপে পেন্সিলিং। পেন্সিলিং টা সব থেকে গুরুত্বপূর্ন কারন এই পর্যায়ে আপনি যত সময় দিবেন ইংকিং টা তত দ্রুত হবে। আগে অনেক সময় ০২ ধাপের পর ইংকে চলে যেতাম কিন্তু পেন্সিল ভালভাবে শেষ করে না নিলে ইংকিং এ প্রচুর অযথা সময় নষ্ট হয়।


০৪। এবার কাজটা সহজ কাজ-ইংকিং। ইংকিং এর সময় আমি আউটলাইন মোটা ব্রাশে এবং ভিতরে ডিটেল চিকন ব্রাশে করি।





০৫। শেষ ধাপে ইফেক্টস, টোন, ব্রাশ টেক্সচার এগুলা। প্যানেল বর্ডার একটা মুছে দেয়া হয়েছে।



কালার পেজ না হলে কাজ এখানে মুটা মুটি শেষ। তবে এর পরে সাউন্ড ইফেক্ট, ডায়লগ বাবল বসান ইত্যাদি কাজ বাকি থেকে যায়।


যাই হোক-কমিকটা করে বেশ মজা পাচ্ছি-আশা করি ডাইজেস্টে সবার ভাল লাগবে! :D

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

কার্টুন ফেস্ট ২০১৪


দৃক গ্যালারিতে ১৫-১৬-১৭ এপ্রিল মহা ধুম ধাড়াক্কার মধ্য দিয়ে শেষ হল কার্টুন ফেস্ট ২০১৪। এবার ফেস্টে খুব বেশি সময় দিয়ে পারিনি বিভিন্ন ঝামেলা মিলিয়ে, তার পরেও দারুন উপভোগ করলাম ফেস্ট। আর সেই সাথে ক্যারিকেচার তো ছিলই! সেই লোক জনের লাইন করে দাড়ান, একের পর এক ক্যারিকেচার একে যাওয়া, ক্যারিকেচার দেখে এক এক জনের অভিব্যক্তি-অসাধারন কিছু মুহুর্ত! ক্যারিকেচার আর কার্টুনের কিছু ছবি ব্লগে দিয়ে রাখলাম।

*ফেস্টে বোনাস প্রাপ্তি মেহেদি ভাই এর একটি কার্টুন!









বৈশাখ-১৪২১

পহেলা বৈশাখের আগে আমাদের আকান্তিসে এবার ক্যারেক্টার কনটেস্ট শুরু হল। লক্ষীপ্যাচা ছিল সাবজেক্ট। নতুন শেখা ল্যাসো টুলে আকালাম ক্যারেক্টার। একই সাথে বৈশাখি আর একটা ছবি ল্যাসো টুলেই আকানো। নতুন করে সহজ ফর্মে ভাবা শিখছি!



গোল্লাছুট

প্রথম আলো এর শুক্রবারের সাপ্তাহিক গোল্লাছুটে স্ট্রিপ কমিক করছি জিতু ক্যারেক্টার নিয়ে। :)

 




ফুল-ফল-পশু-পাখি-০১

ক্যারেক্টার ডিজাইন বেশ মজার একটা জিনিস। বাইরের কমিক বই থেকে এনিমেটেড সিরিজ সব কিছুতেই হাজার রকমের ক্যারেক্টার ডিজাইন দেখি। কিন্তু নিজে কিভাবে শুরু করব কুল পাই না। মেহেদি ভাই এর কাছ থেকে কিছু বই পত্রের নাম নিলাম। নীলক্ষেত, নিউমার্কেট ঘুরে কিনলাম IUCN এর টাঙ্গুয়া হাওড়ের উদ্ভিদ বৈচিত্র আর অন্যপ্রকাশ এর বাংলাদেশের বন্যপ্রানী ও পরিবেশ এর উপর দুটো বই।

দেশের পশুপাখি, গাছপালা, ফুল বৈচিত্র ইত্যাদি এর ছবি আমাদের জন্য দেখাটা একেবারেই অত্যাবশ্যক বলা যায়! এর কারনটা হল বাইরের ক্যারেক্টার, এনভায়রন্মেন্ট ইত্যাদি দেখে দেখে কপি করাটা মজার হতে পারে কিন্তু তাতে ইউনিক ডিজাইন পাওয়া সম্ভব না। এর বদলে আমরা যদি নিজেদের বেনেবউ পাখি, মায়া হরিন, ঘড়িয়াল এগুলো দেখে ইন্সপিরেশান খুজি তাহলে অনেক অনেক মাথা খারাপ করা ডিজাইন, কালার কম্পোজিশান পাওয়া সম্ভব (বিশ্বাস করবেন না কলমী শাক এই কি মাথা নষ্ট কালার আর ক্যারেক্টার আছে!)

নিজেদের কালার স্কিম নিয়ে ছবি রেফারেন্স দেখে কিছু স্টাডি ব্লগে পোস্টিয়ে রাখলাম!