Hi this is Asifur Rahman aka Arts by Rats (artsbyrats if you prefer)! I am a freelance artist from Bangladesh. I mostly draw characters, comic books and concept art. I know-sounds like a jack of all trades and master of none which in fancy terms can be called a generalist. But I just love digital art and I am always looking for new avenues to explore and incorporate into my art! Welcome to my blog!
শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৭
স্টিল লাইফ
অনেক দিন ধরে মেহেদি ভাই এর সাজেস্ট করা একটা বই পড়ব পড়ব করে পড়া হচ্ছিল না। কদিন আগে কানাডা থেকে আমার এক ফ্রেন্ডের আসার কথা জেনে ভাবলাম বই টা হার্ড কপি এনে পড়ে ফেলি। এবং আনার পরে বইটা পড়ে মনে হল পুরোপুরি পয়সা উসুল! বইটার নাম বলে রাখি- জেমস গর্নি এর Color and Light. ডাইনোটোপিয়ার আর্টিস্ট এই বইতে আসলে কালার কখন কিভাবে কেন কেমন দেখায় এগুলোই বুঝানোর চেষ্টা করেছেন তার বিভিন্ন লাইভ স্টাডি বা স্টূডিও ওয়ার্কের রেফারেন্স টেনে। বই পড়ে অনেক কিছুই বুঝিনি ( আরো দুই বার পড়তে হবে) কিন্তু একটা আইডিয়া ভাল লাগল সেটা হচ্ছে কালার গামুট। সোজা ভাষায় এটা হচ্ছে গোটা কালার হুইলের একটা ছোট অংশ বেছে নেওয়া এবং সেই ছোট অংশ এর ভ্যালু, কমপ্লিমেন্ট, মিক্স, ম্যাচ করে ওয়ার্ম কুল নিউট্রাল ভ্যালু বের করা। এরপর সেই কালার প্যলেট নিয়ে স্টাডি। এটা প্র্যাকটিসের জন্য টুকটাক কিছু স্টিল লাইফ স্টাডি করলাম। সেগুলি এবার ব্লগে।
জল রঙ
জল রঙ নিয়ে অনেক আগে থেকেই আগ্রহ। সব সময়ই এই মাধ্যম টাকে এমন একটা কাজ মনে হয়েছে যেটা কোন ভাবেই ডিজিটালে করা সম্ভব না। কিন্তু ডিজিটাল দিয়েই আঁকার শুরু হওয়ায় জলরং এ কখনো হাতেখড়ি হয়নি। ফেসবুকে তাই যখন খোজ পেলাম প্রসূন এবং মানিক দা জলরং এর ওয়ার্কশপ করাবেন সাথে সাথে রেজিস্টার করে ফেললাম। ওয়ার্কশপ চলল এক মাস-স্টিল লাইফ, ল্যান্ডস্কেপ, লাইভ স্টাডি, স্টূডিও স্টাডি চলল। তুলি রঙ পানি বিষয়ে বকলম আমি আস্তে আস্তে জলরং ধরতে শুরু করলাম। ওয়ার্কশপ শেষে একদিন আউটডোরে যেয়েও দেখলাম কিভাবে লাইভে দারুন ওয়াটার কালার করে যাচ্ছে সবাই।
তবে ওয়াটার কালারে শেষ কথা হল প্র্যাকটিস। এজন্য টুক টাক কাজ করার চেষ্টা করছি ওয়াটার কালারে প্রতিদিন। এখনো এক্সপেরিমেন্ট চলছে নানান রকমের-রং নিয়ে, কাগজ নিয়ে, পেন্সিল ওয়ার্ক নিয়ে। কিছু ব্লগে দিয়ে রাখি।
তবে ওয়াটার কালারে শেষ কথা হল প্র্যাকটিস। এজন্য টুক টাক কাজ করার চেষ্টা করছি ওয়াটার কালারে প্রতিদিন। এখনো এক্সপেরিমেন্ট চলছে নানান রকমের-রং নিয়ে, কাগজ নিয়ে, পেন্সিল ওয়ার্ক নিয়ে। কিছু ব্লগে দিয়ে রাখি।
শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭
কার্টুন ফেস্ট ২০১৭
অক্টোবর ১২-১৩-১৪ ধানমন্ডি দৃক গ্যালারীতে হয়ে গেল বাংলাদেশ কার্টুন ফেস্ট ২০১৭।
এক্সিবিশনের তিন দিন যে কিভাবে চোখের পলকে কেটে যায়। প্রতিবছর একটা না একটা এক্সিবিশন উন্মাদ বা কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশান থেকে দৃক এ থাকেই। প্রথম দিন ফ্রেম টানানো, ফিতা কাটাকাটি, শেষ মুহূর্তের প্রেস রিলিজ লেখা, কারো কার্টুন বাদ পড়ে যাওয়ায় একদম শেষবেলা এসে ফ্রেমের দোকানে দৌড়ঝাঁপ, সাংবাদিক, ফটোগ্রাফ আরো নানান সব ঘটনা। দ্বিতীয় দিন টা যায় আড্ডাবাজি, হাসা হাসি, গ্যালারীর মধ্যে চিল্লাপাল্লা, দৌড়াদৌড়ি ইত্যাদি অগ্যালারি সূলভ আচরন এর জন্য সিনিয়রদের ঝাড়ি, ফ্রেমের সাথে ছবি, বন্ধু বান্ধব্দের এক্সিবিশন দেখান এই সবে। আর শেষ দিন সবার একবার করে গ্যালারী ঘুরে যাওয়া, অনেকের সাথে অনেক দিন পর দেখা, নতুন কার্টুনিস্ট দের উকিঝুকি, ভবিষ্যতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ইভেন্টের প্ল্যান প্রোগ্রাম বাজেটিং, ফ্রেম নামান উঠান আর শেষ বেলা গ্রুপ ছবি তুলে দৃক এর সামনে মোড়টায় চা খাওয়ার সাথে আড্ডা। প্রতিবার এক্সিবিশনে বাড়তি থাকে শাহেদ ভাই আর তার দলের রুখসানা আর শ্রাবনের মেঘ। এবার দৃকের দোতলায় গানের আসরটা খুব মিস করলাম।
দৃক নাকি থাকবে না ২৭ এ। এই কথাটা শুনার পর থেকে মনটা খচ খচ করছিল। দৃক এ আসা যাওয়া বুয়েট ফটোগ্রাফি ক্লাবের সাথে শুরু করে কার্টুন ফেস্ট পর্যন্ত। অনেক অনেক হাসি গান আড্ডার বিকেল কেটেছে দৃকে। সব নাই হয়ে যাবে নতুন কোন অফিস, কমার্সিয়াল স্পেস, বার্গার এর হ্যাংআউট প্লেসের নিচে চাপা পড়ে। জানি দৃক নতুন কোন জায়গায় যাবে, সেখানেও আবার তৈরী হবে নতুন নতুন আড্ডার জায়গা, নতুন কোন চায়ের মোড়, নতুন কোন দেয়াল হেলান দিয়ে স্কেচবুকে যাচ্ছেতাই আঁকার। শেষ মেষ জায়গাগুলো টিকে থাকে না-টিকে থাকে স্মৃতিগুলো, টিকে থাকে মানুষগুলো। নতুন ঠিকানায় দৃক টিকে থাক, চলুক কার্টুন ফেস্ট, চলুক এক্সিবিশন। যাক না জীবন যাচ্ছে যেমন।
এক্সিবিশনের তিনটা ছবি ব্লগে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






























