শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

ফ্রিল্যান্সিং

বর্তমান আর্টিস্ট জীবনে ফ্রিল্যান্সিং এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সহজ বাংলাআয় খ্যাপের কাজ-সেটারই একটা গালভরা নাম ফ্রিল্যান্সিং-বা আউটসোর্সিং। দেশ বিদেশের নানান কাজে ফ্রিল্যান্স করে অনেক ছবি আকা হয়েছে। প্রথম দিকে কেবল দেশের খ্যাপের কাজ-ই করা হত, তখন সবাই ফ্রিল্যান্সিং কর কোন সাইটে-এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে হেহে একটা হাসি দিয়েই চলে আসতাম। গত বছর লকডাউনে বসে রীতিমত ঘাটাঘাটি করে ফাইভার এ কাজ করা শুরু করলাম। শুরুর দিকেই বিগিনারস লাক হিসাবে বেশ কিছু কাজ পেয়ে করতে শুরু করি। একেবারে তলা থেকে শুরু করলেও আস্তে আস্তে কিছু টুক টাক ভালই কাজ আসতে শুরু করেছে। ফ্রিল্যান্সিং যদিও খুব কষ্টকর এবং হিসাব করলে ওর্থহোয়াইল কাজ না-তারপরেও কিছুটা টাকার দায়েই বেশ অনেক গুলি কাজ করা হয়ে গেছে। আর তার পাশাপাশি একটা নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে যেখান থেকে মুটা মুটি রেগুলার কাজ পাওয়া যায়।

ফ্রিল্যান্স খ্যাপে করা কিছু পছন্দের কাজ এখানে দিয়ে রাখি। কাজ করতে করতে অনেক কিছু শেখাও হয়েছে ডিজিটাল পেইন্টিং এর-যেগুল এখন অনেক কাজে দেয়-লাভের লাভ এটাই।











জম্বি

 জম্বি-জিন্দালাশ। জম্বি নিয়ে মুভি, কার্টুন, এনিমে, গল্প, সাহিত্য, কমিক-কোন কিছুর কমতি নেই। এই ওভারস্যাচুরেটেড আইডিয়া নিয়েই কিছুদিন ধরে মাথায় একটা গল্প ঘুরছে। আমার বাকি সব প্রজেক্টের মত ধারনা করা হচ্ছে এটাও কোন দিন কাগজে কলমে নামানো হবে না-তারপরও আকাশ কুসুম ভাবনা চালাতে দোষ কী। জম্বি নিয়ে কিছু কনসেপ্ট আর্ট করছি ডেইলি ( ডেইলি মানে ২ দিন-এটার ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব কতদিন জানি না!)-ব্লগে কিছু দিয়ে রাখি। 

ব্লগ টা অনেকদিন পরে খুলে পুরনো পোস্ট পড়ে দেখলাম। বেশ মজাই লাগে-পার্সোনাল ডায়েরি এর মত।  হাতে লেখা ডায়রি কেউ ভুলে পড়ে ফেললেও এই ব্লগের কানাগলিতে কারো আসার সুযোগ নেই বললেই চলে। লেখালেখি টা কি আবার চালু করে ফেলব নাকি-নাহ থাক। বার বার বলি আর নিজেই ভুলে যাই।

দৈনন্দিন জীবন একটা নেশা-নেশার ঘোরে থাকলে যেমন সময় কেটে যায়-জীবন কাটতে থাকলে কেটেই যায়। বোরিং সময় সব থেকে দ্রুত যায়-নিত্যনৈমিত্তিকতা সবথেকে বড় সময় ঘাতক। লকডাউন জীবনের একটা বড় শিক্ষা এটা।






শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১

বিশ একুশ

 উনিশ বিশ শুনে বড় হতে হতে বিশ একুশ চলে এল। অনেক অনেক দিন বাদে ব্লগর ব্লগর করতে আসা মরতে বসা ব্লগে। লেখা লেখির সময় করে ওঠা এখন মুশকিল। তার পরেও প্রতি বছরের একটা সিগনেচার যাতে রেখে যাওয়া যায় তার জন্য ব্লগে আবার ঢুঁ মারা। গত বছরের লেখা ঘাটতে যেয়ে দেখলাম বছর শুরুতে যেসব কাজ করব ঠিক করে রেখেছিলাম তার কিয়দংশও করা হয়নি। আবার করা হয়েছে এমন অনেক কিছু যার কোন পরিকল্পনাই ছিলনা। আর সবার সব প্ল্যান প্রোগ্রাম ভেস্তে দেবার জন্য একটা ২০২০ ই যথেষ্ট। খুব খুব সৌভাগ্য আমার যে বড় সড় কোন মুশকিল ছাড়াই এই মহামারীর বছর টা কাটিয়ে দিতে পেরেছি। অনেক দিকে কাজ মোড় নিয়েছে, জীবনের গতিপথেও এসেছে অনেক বাঁক। সেসব মিলিয়ে কিভাবে কাটাব এই বছর টা-সেই পরিকল্পনা করার ঝক্কি আর নিতে চাই না।


বছর শুরু করেছি কিছু নতুন ধরনের স্টাডি দিয়ে। গত বছর থেকে ডিজিটাল পেইন্টিং এ ফোকাস করার পর আস্তে আস্তে বেশ কিছু ঝাপসা জিনিস পরিষ্কার হয়ে আসছে। সেই সাথে চোখে পড়ছে নতুন আর এক গন্তব্য যা ধোয়াশার আড়ালে। নেভার এন্ডিং জার্নির শেষ নেই মেনে নিয়েও এগিয়ে চলা-দেখা যাক কতদুর চলে গাড়ি।







রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

বড় ব্রাশ


রিসেন্ট ক্লিপ স্টূডিও স্টাডি-বড় সাইজের ব্রাশ নিয়ে এবং গ্রাডিয়েন্ট টুল দিলে ইনিশিয়াল ফর্ম গুলো ধরে ফেলার প্র্যাকটিস বাড়াতে হবে। আসলে ছোট ডিটেল গুলি অনেক পরে আসে-এবং সব জায়গায় ছোট ডিটেল না দিলে মিনিমাম জায়গায় ছোট ব্রাশের কাজ করলে সেগুলো চোখেও পড়ে বেশি। স্টাডী চলছে-ব্লেন্ডার এ স্কালপটিং এর প্র্যাকটিস টাও বোধ হয় কাজে দিচ্ছে কিছুটা স্টাডি গুলির ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

Jon Kabir Caricature

Caricature of Jon Kabir || Drawn in 2018
Caricature of Jon Kabir || Drawn in 2020

লকডাউন চলছে। থম থমে দম বন্ধ পরিবেশ আশে পাশে। কাজে কনসেন্ট্রেট করা খুব, খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। তার মধ্যেও প্র্যাকটিস, স্টাডি, কমার্শিয়াল-সব ধরনের কাজ ই করছি। পুরনো ক্যারিকেচার গুলি ফেসবুক চ্যালেঞ্জে পোস্ট দিচ্ছিলাম। জন এর একটা ক্যারিকেচার নতুন করে আবার একে দেখলাম কেমন দাঁড়ায়।