শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

কার্টুন ফেস্ট ২০১৭

অক্টোবর ১২-১৩-১৪ ধানমন্ডি দৃক গ্যালারীতে হয়ে গেল বাংলাদেশ কার্টুন ফেস্ট ২০১৭।

এক্সিবিশনের তিন দিন যে কিভাবে চোখের পলকে কেটে যায়। প্রতিবছর একটা না একটা এক্সিবিশন উন্মাদ বা কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশান থেকে দৃক এ থাকেই। প্রথম দিন ফ্রেম টানানো, ফিতা কাটাকাটি, শেষ মুহূর্তের প্রেস রিলিজ লেখা, কারো কার্টুন বাদ পড়ে যাওয়ায় একদম শেষবেলা এসে ফ্রেমের দোকানে দৌড়ঝাঁপ, সাংবাদিক, ফটোগ্রাফ আরো নানান সব ঘটনা। দ্বিতীয় দিন টা যায় আড্ডাবাজি, হাসা হাসি, গ্যালারীর মধ্যে চিল্লাপাল্লা, দৌড়াদৌড়ি  ইত্যাদি অগ্যালারি সূলভ আচরন এর জন্য সিনিয়রদের ঝাড়ি, ফ্রেমের সাথে ছবি, বন্ধু বান্ধব্দের এক্সিবিশন দেখান এই সবে। আর শেষ দিন সবার একবার করে গ্যালারী ঘুরে যাওয়া, অনেকের সাথে অনেক দিন পর দেখা, নতুন কার্টুনিস্ট দের উকিঝুকি, ভবিষ্যতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ইভেন্টের প্ল্যান প্রোগ্রাম বাজেটিং, ফ্রেম নামান উঠান আর শেষ বেলা গ্রুপ ছবি তুলে দৃক এর সামনে মোড়টায় চা খাওয়ার সাথে আড্ডা। প্রতিবার এক্সিবিশনে বাড়তি থাকে শাহেদ ভাই আর তার দলের রুখসানা আর শ্রাবনের মেঘ। এবার দৃকের দোতলায় গানের আসরটা খুব মিস করলাম।

দৃক নাকি থাকবে না ২৭ এ। এই কথাটা শুনার পর থেকে মনটা খচ খচ করছিল। দৃক এ আসা যাওয়া বুয়েট ফটোগ্রাফি ক্লাবের সাথে শুরু করে কার্টুন ফেস্ট পর্যন্ত। অনেক অনেক হাসি গান আড্ডার বিকেল কেটেছে দৃকে। সব নাই হয়ে যাবে নতুন কোন অফিস, কমার্সিয়াল স্পেস, বার্গার এর হ্যাংআউট প্লেসের নিচে চাপা পড়ে। জানি দৃক নতুন কোন জায়গায় যাবে, সেখানেও আবার তৈরী হবে নতুন নতুন আড্ডার জায়গা, নতুন কোন চায়ের মোড়, নতুন কোন দেয়াল হেলান দিয়ে স্কেচবুকে যাচ্ছেতাই আঁকার। শেষ মেষ জায়গাগুলো টিকে থাকে না-টিকে থাকে স্মৃতিগুলো, টিকে থাকে মানুষগুলো। নতুন ঠিকানায় দৃক টিকে থাক, চলুক কার্টুন ফেস্ট, চলুক এক্সিবিশন। যাক না জীবন যাচ্ছে যেমন।

এক্সিবিশনের তিনটা ছবি ব্লগে।




বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

দস্তাবেজ-১৯

ঝাড়ু দিয়ে জড়ো করা সব হাবি জাবি পোস্ট।





স্ট্রাগল

ফেসবুক মিম লেম জোক ইত্যাদি সব কিছু মিলায় একটা ডায়লগ প্রায়ই মাথায় ঘুরে-The Struggle is Real! এই থিমটাকে নিয়ে মাঝে মধ্যে কিছু আইডিয়া মাথায় আসত। সেগুলা নিয়ে একটা ওয়েব কমিক ধরনের সিরিজ করছি কিছু দিন আমার পেজে। ব্লগে দিয়ে রাখি প্রথম কিছু কমিক।









ক্যারিকেচার-১৯

দেশি সেলিব্রেটিদের ক্যারিকেচার করা একটা মজার চ্যালেঞ্জ। কারন দেখা যায় বাইরে যারা ফেমাস তাদের অনেকের ই অনেক জায়গায় পাবলিশড ক্যারিকেচার আমরা দেখি। তাই আকতে গেলে ঐ ক্যারিকেচার গুলার ইনফ্লুয়েন্স চলে আসে। নিজেদের সেলিব্রেটিদের আঁকার ক্ষেত্রে সেটা হয় না। একদম নতুন করে ভাবতে হয় ডিস্টরশন গুলো নিয়ে এবং নিজের মত করে ডিজাইন করা যায়।

সোলায়মান সুখন

হুমায়ুন আহমেদ

লাকি আখন্দ

তাহসান

রাবা খান

শাফিন আহমেদ



ক্যারিকেচার-১৮

ফেসবুকে আমার পেজ Arts By Rats এ কমিশন ক্যারিকেচার করতে শুরু করি ২০১৫ তে। আস্তে আস্তে এখন ক্যারিকেচারের আইডিয়া বেশ ভালই জনপ্রিয়। বিয়ে, গায়ে হলুদ, জন্মদিন, ফেয়ারওয়েল আরো হাবি জাবি নানান অকেশনের ক্যারিকেচার করা হচ্ছে ইদানিং! কমিশন ক্যারিকেচারে কিছু কাজে রেস্ট্রিকশন থাকে ফেস ডিসটর্শনে, আবার অনেক জায়গায় বেশ মজা করে কাজ করার সুযোগ থাকে বিভিন্ন থিম, অথবা ব্যাকগ্রাউন্ডের ডিজাইনের কাজে। রিসেন্টলি করা কিছু কাজ ব্লগে দিয়ে রাখছি।
















প্রতিটা ক্যারিকেচারের পেছনে এক এক রকমের গল্প আছে! অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়, তাদের প্রত্যেকের এক এক রকম আবেগের জায়গা থেকে তারা ক্যারিকেচারের কাজ করান। সেগুলো বুঝে তাদের পছন্দ মত ছবি এঁকে দেয়াটা একদিকে চ্যালেঞ্জিং আবার অন্য দিকে অসম্ভব স্যাটিসফাইং একটা ব্যাপার। এগুলো নিয়ে একদিন লেখা যাবে!

গোল্লাছুটের জিতু

প্রতি সপ্তাহে রবি সোম বারের দিকে মোটামুটি নিয়ম করে মোবাইলে একটা মেসেজ আসে-আসিফ ভাই...জিতু। গোল্লাছুটের সম্পাদক রিয়াদ এর রিমাইন্ডার পেয়ে মাথায় আসে আয় হায়-এই সপ্তাহের স্ট্রিপ তো আকা হয় নাই! প্রতিবার ই ভাবি জিতু এর গোটা দশেক স্ট্রিপ একবারে করে পাঠায় রেখে দেই, কিন্তু কাজের বেলায় দেখা যায় হাবি জাবি একশ কাজের মধ্যে ভুলে যাই আর করা হয় না। মেসেজ পাবার পর ভাবতে বসি এবং পাঠাচ্ছি ভাই, এইতো হয়ে গেছে, বুধবার পর্যন্ত একটু জায়গা রাখেন এসব করতে করতে একটা আইডিয়া দাঁড়া করে কমপ্লিট করে পাঠিয়ে দেই। এভাবেই চলছে জিতু স্ট্রিপ দেখতে দেখতে তিন বছর!

কিছু স্ট্রিপ ব্লগে দিয়ে রাখি।