বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৮

অনলাইন ক্লাশ-২

অনলাইন ক্লাশ সিরিজের দ্বিতীয় পর্বঃ

২য় সপ্তাহঃ

এ সপ্তাহে ক্লাস ছিল থাম্বনেইল ডিজাইন আর পার্স্পেক্টিভের উপর। এ সপ্তাহের কী পয়েন্টঃ

০১। টু পয়েন্ট পার্স্পেক্টিভে একটা পয়েন্ট ফ্রেমের এজ এর কাছে আর একটা দূরে রাখলে ন্যাচারাল আই ভিউ পাওয়া যায়। আর যদি দুইটাই ফ্রেমের এজ এর কাছাকাছি হয় তাহলে ডিস্টর্টেড বা ফোর্সড একটা ভিউ পাওয়া যায়। লং শট এর ক্ষেত্রে দুইটাই ফ্রেমের অনেক বাইরে থাকে।

০২। কম্পোজিশনে ৭০-৩০ রুল ব্যবহার করা। ফ্রেমকে ৫০-৫০ ডিভিশন করা অনেক বোরিং দেখায়। একই সাথে যদি কাছা কাছি সাইজের দুই তিনটা অবজেক্ট থাকে তাহলে দেখা যায় তারা ভিউয়ার এর এটেনশানকে ভাগ করে নেয়। কিন্তু আমরা যদি চাই কোন অবজেক্টে এটেনশান ফোকাস করতে তাহলে সেটার সমান সাইজের অন্য কোন কিছু কম্পোজিশনে না রাখা ভাল।

০৩। হেলপফুল একটা টিপ-যেকোন এনভায়রন্মেন্ট ডিজাইনের আগে একটা টপ ডাউন ম্যাপ বানান এবং ম্যাপে এরিয়া আইডেন্টিফাই করা। ভ্যারিয়েশান গুলো উপর থেকে ঠিক করা এবং পুরো এনভায়রনমেন্ট কে ইউনিফাই করার কিছু এলিমেন্ট এই স্টেজেই ভেবে রাখা।

০৪। এনভায়রনমেন্ট ডিজাইনে রিপিটেশান খুব গুরুত্বপূর্ন। একই অব্জেক্টকে বিভিন্ন ভাবে-বিভিন্ন সাইজে-বিভিন্ন ভ্যালুতে-বিভিন্ন প্রোপর্শনে ব্যবহার খুব কাজে দেয়। এটা করলে ছবিতে ডেপথ আনা যায় এবং এনভায়রন্মেন্টের এস্টাবলিশমেন্ট হয়।

০৫। এনভায়রনমেন্ট আকতে শুরুর আগে পার্সেপেকটিভ গ্রিড স্কেচ মাস্ট। এটা ফলো করি বা না করি টুইস্টেড পার্সপেক্টিভে আকতেও এটা করে নেয়া দরকার।

০৬। আইসোমেট্রিক ভিউ একে নেয়া যেকোন এনভায়রনমেন্ট ডিজাইনে খুব হেল্পফুল।

০৭। ইম্পর্টেন্টঃ থাম্বনেইলে সাধারনত আমরা ভিউয়ার এর চোখ কে একটা লোকেশনে লিড করতে চাই। এই পথের শেষে থাকে সাধারনত পে অফ-যেমন কোন টাওয়ার-কোন লোকেশন-কোন দোকান পাট যা ইচ্ছা হতে পারে। এই চোখ কে লিড করার পথটা একদম সাদামাটা না হয়ে সেটার ভেতরে উচি নিচু-অবস্ট্রাকটিং এলিমেন্ট-ওভারল্যাপ আনলে ইন্টারেস্ট বাড়ে ভিজুয়ালি।

এই সপ্তাহে এসাইনমেন্ট ছিল টপ ডাউন ম্যাপ ডিজাইন করে সেখান থেকে ৬ টা থাম্বনেইল আকা ম্যাপের ভেতরের লোকেশনের।



অনলাইন ক্লাশ-১

কিছুদিন আগে একটা অনলাইন কোর্সে রেজিস্টার করলাম। cgmasteracademy.com এ ফান্ডামেন্টাল অফ এনভায়রনমেন্ট ডিজাইনে ভর্তি হবার পরে ক্লাস শুরু হল জুলাই এর ২৩ তারিখের দিকে। ৮ সপ্তাহের কোর্স-প্রায় ৫ সপ্তাহ হতে চলছে। অনলাইন কোর্স টা করার উদ্দেশ্য ছিল নিজের প্রসেস গুলো অন্যদের সাথে যাচাই বাছাই করা এবং কিছু ফিডব্যাক পাওয়া নিজের কাজ সম্পর্কে। 

অনলাইনে লেকচার, লাইভ ক্লাস, ফিডব্যাক সেশন, এসাইনমেন্ট এগুলোর ব্যস্ততার সাথে সাথে নিজের কাজ, অফিস সামলে ব্লগে অনেক দিন কিছু লেখা হচ্ছে না। ভাবলাম অনলাইনে ক্লাসের কিছু শেখা কি পয়েন্ট আকারে নিজের ব্লগে লিখে রাখি নইলে দেখা যাবে নিজেই ভুলে যাব কদিন পর।

প্রথম সপ্তাহঃ

 প্রথম সপ্তাহে কাজ ছিল সাদাকালো ছবি দেখে নিজের মত করে সেটার ভ্যালু পেইন্টিং করা। এবং এটা করার সময় প্রত্যেক স্টেপে কি কি ভাবছি সেগুলো নোট ডাউন করা। করতে যেয়ে যা যা শিখলামঃ

০১। ছবিতে ওভার কমপ্লিকেটেড শেপস এড়ান।

০২। পারলে লেয়ার মেইন্টেইন করা ফোরগ্রাউন্ড ব্যাকগ্রাউন মিড গ্রাউন্ডের।

০৩। এটমোসফিয়ার এড করে ব্যাকগ্রাউন্ড এলিমেন্ট কে আরও দূরে সরান। এটমোসফিয়ার এড করা মানে দেখা যায় গ্রাউন্ড লেভেলের কাছা কাছি হালকা ফগ বা ডাস্ট এর ইফেক্ট যোগ করা।

০৪। সব থেকে ইম্পর্টেন্টঃ ভ্যালু রেঞ্জ সিলেক্ট করা। সব থেকে কাছের এলিমেন্ট আমরা সাধারনত ডার্ক করি। আর দূরে গেলে হালকা করতে থাকি। এর সাথে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে কাছের এলিমেন্টে কনট্রাস্ট বেশি থাকবে এবং দূরে গেলে কমতে থাকবে। মানে কাছের এলিমেন্টে হাইলাইট ও ব্রাইট শ্যাডো ও একদম ব্ল্যাক অর্থাৎ ভ্যালুর রেঞ্জ হাই-কনট্রাস্টিং ভ্যালু। কিন্তু দূরে গেলে তাদের ভেতরে ভ্যালু রেঞ্জ কমতে থাকবে।

০৫। টেক্সচার ব্রাশ আন্দাজে দাগ চালালে কাযে দিবে না। বড় সাইজের টেক্সচার ব্রাশ দিয়ে দুই এক টান দিয়ে তারপরে সেটাকে বেজ করে নিজের মত রেণ্ডারিং করা যায়।

প্রথম সপ্তাহে আমার এসাইন্মেন্টঃ




রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮

সমকাল সাপ্তাহিক কার্টুন

দৈনিক সমকালের প্রতি সপ্তাহের শুক্রবারের জন্য করা সাপ্তাহিক কার্টুনের কিছু কাজ ব্লগে দিয়ে রাখি!










উন্মাদের ৪০

উন্মাদের ৪০ বছরের এক্সিবিশনে ৪০ রকম উন্মাদ নিয়ে করা একটা কাজ।

বাক টু বেসিক




একদম বেসিক শেডিং এর একটা প্রসেস ডেভেলপ করে আউটপুট বের করার চেষ্টা চালাচ্ছিলাম। এখন অনেক কাজেই দেখা যায় পেইন্টিং ব্লেন্ডিং করে ফেলি এবং অনেক ক্ষেত্রেই সেটা স্টাইলের সাথে বেমানান ভাবে। তাই মুটামুটি একটা কুইক প্রসেস বের করতে এই কাজ গুলো করা।

ফ্ল্যাট কালারের উপরে পার্পল মাল্টিপ্লাই এর শেড। আর সফট ব্রাশ দিয়ে শেডের এজ কন্ট্রোল করা-ব্যাক টু বেসিক কালারিং।

ক্যারিকেচার-২৪










অনেক দিন ব্লগে লেখা হয় না ছবিও দেয়া হয়না। ক্যারিকেচার নিয়ে বেশ ঘাটা ঘাটি করছি কিছুদিন। বেশির ভাগ ই সাদাকালোয় ভ্যালু স্টাডি। কালারে গেলে এখনো গোলমাল লেগে যায়।

ফটোশপে একটা চ্যাপ্টা খুব সিম্পল ব্রাশ নিয়ে কাজ গুলো করা। অল্প কিছু ব্রাশে স্টিক করে ফাইনাল আউটপুট আনার চেষ্টা করছি ইদানিং। একই সাথে ক্যারিকেচার ড্রয়িং এ ক্যানভাস ফ্লিপ করা আর ফটোশপের ডিসটর্ট টুলে ব্যবহার শুরু করার চেষ্টা চালাচ্ছি।