বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

art support with artsbyrats-Gesture study

 রিসেন্টলি গ্রুপে একটা মজার খেলা চালু হয়েছে ( সৌজন্যে রোমেল ফ্রস্ট ) যেখানে একটা ছবি দেওয়া হয় এবং সবাই সেটার জেশচার স্টাডী পোস্ট করে। ডেইলি প্র্যাকটিসের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সবার দারুন ইম্প্রুভমেন্ট আসছে-আমার নিজেরো অনেক কুইক আর ফ্লুয়েন্ট হচ্ছে জেশচার। এখন পর্যন্ত করা কাজগুলি ব্লগে দিয়ে রাখি।














মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১

লাইভ জম্বি

 লকডাউনে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইচ, ডিসকর্ড-সবাই লাইভ ব্রডকাস্ট করার সুবিধা দিয়ে লাইভ আড্ডা দেবার একটা আপাত সুযোগ করে রেখেছে। নেই চায়ের কাপ, নেই রাস্তার গাড়ির হর্নের আওয়াজ, নেই খোলা বাতাসে স্কেচবুকের পাতা উলটানো, নেই পিপড়া আর মানুষের সারির দিকে তাকিয়ে সাবজেক্ট খোজা, নেই চোখ-মুখ-কান-গাছ-লতা-পাতা-আকাশ-মেঘ-ফুলের পাপড়ি-আছে কেবল কিছু ১ আর ০। ১ আর ০ এর উলট পালট কম্বিনেশনে অর্থ খোজা, কথা বলা-নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ১ আর ০ এর জগতে। ম্যাট্রিক্সের চাদর টা উঠে গেলে নেটিজেনদের ১ আর ০ এর দুনিয়াতে আড্ডা দেওয়ার ফিলিং আসেনা-অসীম শুন্যের দিকে নিজেকে আর একটা ১ আর ০ এর স্ট্রিমে পরিনত করে ছুড়ে দেওয়ার ফিলিং আসে। আগডুম বাগডুম এসবের ভেতরেই যতটা আর একটা জীবিত মানুষের কাছে আসা যায়-সেভাবেই একটা লাইভ পেইন্টিং করা ইউটিউবে। লাইভে আকা জম্বি আজকে ব্লগে।



সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১

কি আঁকব

 আঁকব কী? কিছু আকার পাই না-কী আকতে চাই, একে কী করতে চাই, কেন আকতে চাই, কার মত আকতে চাই-একশো প্রশ্ন সারাদিন সারাক্ষন মাথায় ঘুরপাক খায়। এঁকে খাই নাকি খাওয়ার জন্য আঁকি? প্রশ্ন প্রশ্ন প্রশ্ন- টাও প্রিনিস্পালে নাকি জীবনের কোন উদ্দেশ্য নেই, লক্ষহীনতাই ব্রক্ষ্মান্ডের শেষ কথা। জীবদ্দশায় তো পৃথিবীর রহস্যের তল পাব না-তাই আকি। বেচে থাকতে আকি, আকার মধ্যে বাচি।








শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

ফ্রিল্যান্সিং

বর্তমান আর্টিস্ট জীবনে ফ্রিল্যান্সিং এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সহজ বাংলাআয় খ্যাপের কাজ-সেটারই একটা গালভরা নাম ফ্রিল্যান্সিং-বা আউটসোর্সিং। দেশ বিদেশের নানান কাজে ফ্রিল্যান্স করে অনেক ছবি আকা হয়েছে। প্রথম দিকে কেবল দেশের খ্যাপের কাজ-ই করা হত, তখন সবাই ফ্রিল্যান্সিং কর কোন সাইটে-এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে হেহে একটা হাসি দিয়েই চলে আসতাম। গত বছর লকডাউনে বসে রীতিমত ঘাটাঘাটি করে ফাইভার এ কাজ করা শুরু করলাম। শুরুর দিকেই বিগিনারস লাক হিসাবে বেশ কিছু কাজ পেয়ে করতে শুরু করি। একেবারে তলা থেকে শুরু করলেও আস্তে আস্তে কিছু টুক টাক ভালই কাজ আসতে শুরু করেছে। ফ্রিল্যান্সিং যদিও খুব কষ্টকর এবং হিসাব করলে ওর্থহোয়াইল কাজ না-তারপরেও কিছুটা টাকার দায়েই বেশ অনেক গুলি কাজ করা হয়ে গেছে। আর তার পাশাপাশি একটা নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে যেখান থেকে মুটা মুটি রেগুলার কাজ পাওয়া যায়।

ফ্রিল্যান্স খ্যাপে করা কিছু পছন্দের কাজ এখানে দিয়ে রাখি। কাজ করতে করতে অনেক কিছু শেখাও হয়েছে ডিজিটাল পেইন্টিং এর-যেগুল এখন অনেক কাজে দেয়-লাভের লাভ এটাই।











জম্বি

 জম্বি-জিন্দালাশ। জম্বি নিয়ে মুভি, কার্টুন, এনিমে, গল্প, সাহিত্য, কমিক-কোন কিছুর কমতি নেই। এই ওভারস্যাচুরেটেড আইডিয়া নিয়েই কিছুদিন ধরে মাথায় একটা গল্প ঘুরছে। আমার বাকি সব প্রজেক্টের মত ধারনা করা হচ্ছে এটাও কোন দিন কাগজে কলমে নামানো হবে না-তারপরও আকাশ কুসুম ভাবনা চালাতে দোষ কী। জম্বি নিয়ে কিছু কনসেপ্ট আর্ট করছি ডেইলি ( ডেইলি মানে ২ দিন-এটার ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব কতদিন জানি না!)-ব্লগে কিছু দিয়ে রাখি। 

ব্লগ টা অনেকদিন পরে খুলে পুরনো পোস্ট পড়ে দেখলাম। বেশ মজাই লাগে-পার্সোনাল ডায়েরি এর মত।  হাতে লেখা ডায়রি কেউ ভুলে পড়ে ফেললেও এই ব্লগের কানাগলিতে কারো আসার সুযোগ নেই বললেই চলে। লেখালেখি টা কি আবার চালু করে ফেলব নাকি-নাহ থাক। বার বার বলি আর নিজেই ভুলে যাই।

দৈনন্দিন জীবন একটা নেশা-নেশার ঘোরে থাকলে যেমন সময় কেটে যায়-জীবন কাটতে থাকলে কেটেই যায়। বোরিং সময় সব থেকে দ্রুত যায়-নিত্যনৈমিত্তিকতা সবথেকে বড় সময় ঘাতক। লকডাউন জীবনের একটা বড় শিক্ষা এটা।






শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১

বিশ একুশ

 উনিশ বিশ শুনে বড় হতে হতে বিশ একুশ চলে এল। অনেক অনেক দিন বাদে ব্লগর ব্লগর করতে আসা মরতে বসা ব্লগে। লেখা লেখির সময় করে ওঠা এখন মুশকিল। তার পরেও প্রতি বছরের একটা সিগনেচার যাতে রেখে যাওয়া যায় তার জন্য ব্লগে আবার ঢুঁ মারা। গত বছরের লেখা ঘাটতে যেয়ে দেখলাম বছর শুরুতে যেসব কাজ করব ঠিক করে রেখেছিলাম তার কিয়দংশও করা হয়নি। আবার করা হয়েছে এমন অনেক কিছু যার কোন পরিকল্পনাই ছিলনা। আর সবার সব প্ল্যান প্রোগ্রাম ভেস্তে দেবার জন্য একটা ২০২০ ই যথেষ্ট। খুব খুব সৌভাগ্য আমার যে বড় সড় কোন মুশকিল ছাড়াই এই মহামারীর বছর টা কাটিয়ে দিতে পেরেছি। অনেক দিকে কাজ মোড় নিয়েছে, জীবনের গতিপথেও এসেছে অনেক বাঁক। সেসব মিলিয়ে কিভাবে কাটাব এই বছর টা-সেই পরিকল্পনা করার ঝক্কি আর নিতে চাই না।


বছর শুরু করেছি কিছু নতুন ধরনের স্টাডি দিয়ে। গত বছর থেকে ডিজিটাল পেইন্টিং এ ফোকাস করার পর আস্তে আস্তে বেশ কিছু ঝাপসা জিনিস পরিষ্কার হয়ে আসছে। সেই সাথে চোখে পড়ছে নতুন আর এক গন্তব্য যা ধোয়াশার আড়ালে। নেভার এন্ডিং জার্নির শেষ নেই মেনে নিয়েও এগিয়ে চলা-দেখা যাক কতদুর চলে গাড়ি।